জাতি হিসেবে আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না — শিক্ষা উপদেষ্টা

অনলাইন ডেস্ক
০৪ অগাস্ট ২০২৫, ১০:৫৯ অপরাহ্ন

জাতীয়

জাতি হিসেবে আমাদের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না —  শিক্ষা উপদেষ্টা

ঢাকা, ২০ শ্রাবণ (৪ আগস্ট):

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে যারা জীবন দিয়েছে, পঙ্গুত্ববরণ করেছে, দৃষ্টি হারিয়েছে জাতি হিসেবে তাদের এ ত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া যাবে না। গণঅভ্যুত্থানে আহত ও নিহতেদর যেন আমরা ভুলে না যাই।

আজ সায়দাবাদ সংলগ্ন গোলাপবাগ মাঠে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের আয়োজনে মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে পালন উপলক্ষ্যে শহিদদের স্মরণে ‘জুলাই ২৪ পুনর্জাগরণ অনুষ্ঠানমালা-২০২৫’ উদ্যাপন ও সমাবেশে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।  

উপদেষ্টা বলেন,  এখানে প্রদর্শিত প্রেরণার প্রজন্ম ডকুমেন্টরিতে যা দেখলাম এবং যা শুনলাম তা ভুলে যাবার নয়। প্রতিদিন রাস্তায় বের হলেই দেয়ালে বিভিন্ন লেখা দেখি। বিভিন্ন গ্রফিটিতে নতুন বাংলাদেশ গঠনে তরুণদের প্রত্যয় ও আকাক্সক্ষার কথা ফুটে উঠেছে। আমরা যেন তাঁদের এ প্রত্যয় ও আকাক্সক্ষার কথা ভুলে না যাই। এসকল লেখাগুলো আমাদের প্রতিদিন স্মরণ করিয়ে দেয় জুলুম ও নির্যাতনের কথা। 

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, একসময় আমাদের দেশে জঙ্গি নাটক সাজানো হয়েছে। এসব জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নিরীহ মানুষদের ওপর বর্বর নির্যাতন চালানো হয়েছে। সেই সময় আশাহত ছিলাম, মনে হয়েছিল আমরা আর স্বাধীনভাবে চলতে পারব না। কিন্তু এই গণঅভুত্থান আমাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে ও স্বাধীনভাবে চলার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে। 

অনুষ্ঠানে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব ড. খ ম কবিরুল ইসলাম বলেন, পূর্বের শাসনামলে গুম, খুন, অত্যাচার ও নিপীড়নের শিকার হয়েছে আলেম সমাজ। দাড়ি টুপি দেখলেই তাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হতো। চব্বিশের ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেম সমাজ যে আত্মত্যাগ ও অদম্য সাহসিকতা দেখিয়েছে তা ভুলে যাওয়ার নয়। সকল পর্যায়ের ছাত্র, জনতা, কৃষক, শ্রমিক সর্বস্তরের জনগণ রাজপথে নেমে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল যার ফলে ফ্যাসিবাদের বিদায় হয়েছিল। যাত্রাবাড়ী ছিল গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।

চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং বিভিন্ন ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে পালিত হয়।